বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী করতে হবে।

চেয়ারম্যান স্যারের বানি

বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে পড়তে গিয়ে অধিকাংশ তরুণরা পড়াশোনার পাশাপাশি রেস্তোরাঁতে জব করে, কেউ বা রাস্তায় দাঁড়িয়ে পত্রিকা বিক্রি করে, পার্ট টাইম বিভিন্ন কাজ করেই তারা পড়াশোনার খরচসহ নিজের খাবার, চলাফেরার খরচ সংগ্রহ করে। এই তরুণরাই আবার দেশে এগুলো করতে লজ্জাবোধ করে। এটির পিছনে কারণ আছে। বাংলাদেশ এই ধরনের সংস্কৃতি আমরা তৈরি করতে পারিনি। শিক্ষার্থীদের জন্য কাজকে আমরা ট্যাবু বানিয়ে ফেলেছি। আমাদের অভিভাবকদেরও চিন্তা, পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করলে পড়াশোনা হবেনা, টাকার লোভ চলে আসবে, টাকা লোভ চলে আসলে জীবন ধ্বংস হ্যানত্যান ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার পথে বড় বাধা তৈরি হবে। আসলেই কি তাই? যদি তাই হবে উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে পড়াশোনা করতে গিয়ে যে কাজ করে এতে পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার গড়ার পথে হ্যাম্পার হয় না? উন্নত রাষ্ট্রের শিক্ষার্থীরা যে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করে এতে  তাদের ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার পথে বাধা আসেনা?


বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী করতে হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি ফ্রী টাইমের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। Uber, Pathao এ ইদানিং কিছু শিক্ষার্থী রাইড শেয়ারিং করে। Uber, Pathao শিক্ষার্থীবান্ধব কর্ম মাধ্যম। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী করে তোলার জন্য কর্মশালার ব্যবস্থা করতে হবে, তাদের মানসিক দৈন্যতার পরিবর্তন করতে হবে। তাদেরকে প্রডাক্টিভ করে তুলতে হবে। যেসময়টা শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে, গেমস খেলে, টেলিভিশন, সিনেমা দেখে অলস সময় কাটায়, সেই সময়টাতে তাদেরকে কাজের মধ্যে রাখতে হবে। এতে দেশ এগিয়ে যাবে, শিক্ষার্থীদেরও অভাব ঘুচবে।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীকে দেখেছি টাকার অভাবে ৩ বেলার জায়গায় দুইবেলা খেতে। পেটের কষ্ট পাথর চাপা দিয়ে রাখতে। আব্বা ঠিকমত টাকা পাঠাতে পারেনা বলে পরিবারের উপর অভিমান করে থাকতে। 

দরকার আছে এই অভিমানের? বরং লজ্জা ভুলে যাও। পেটে ক্ষুধা পুষে রেখে লজ্জা করে কোন লাভ নেই। পরিশ্রম করা লজ্জার কিছু না। বরং পৃথিবীতে যে যত বড় হয়েছে, পরিশ্রমের মাধ্যমে হয়েছে। অলসতা কাউকে বড় করেনা, মানুষকে বড় করে কঠোর পরিশ্রম। আমাদের ট্যাবু ভাঙতে হবে। সকল বাধা অতিক্রম করে, লজ্জাকে বাক্সে বন্দি করে রেখে কাচা মেরে কাজে নেমে পড়তে হবে। প্রয়োজনে হকারি করতে হবে, রেস্তোরাঁতে কাজ করতে হবে, ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করতে হবে, শপিংমলে কাজ করতে হবে। কাজকে ছোট করে দেখা যাবেনা। কাজ তো কাজই, নাই কোন ভেদাভেদ। ভেদাভেদ ভুলে যেদিন আমরা কাজকে প্রতিষ্ঠিত ও মূল্যায়ন করতে পারবো, জাতি সেদিন দারিদ্র্যতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে।


Useful info

1Nunc at leo sit amet est mattis volutpat id in sem. Vivamus ultrices semper purus at tempor.

Call us

+61 (0) 3 8376 6284

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipisicing elit, sed do eiusmod tempor incididunt 

Opening hours

10am – 8pm everyday

Administration: from 9am till 4pm
Special points: from 10am till 5pm
Last entry – 4:30pm

Coming Soon

Get notified when site goes live.

Days
Hours
Minutes
Seconds

hurry up and grab these deals: